স্থান :

/

/

বাড়ি » খুদে বিজ্ঞানীদের সন্ধানে শুরু হচ্ছে জাতীয় বিজ্ঞান মেলা

খুদে বিজ্ঞানীদের সন্ধানে শুরু হচ্ছে জাতীয় বিজ্ঞান মেলা

June 1, 2026

শিক্ষা ডেস্ক:

 

দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা ও সুপ্ত প্রতিভার বিকাশে দেশব্যাপী বিশেষ প্রতিযোগিতার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অধীন সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের আওতায় ‘পারফরমেন্স বেজড গ্রান্টস ফর সেকেন্ডারি ইনস্টিটিউশনস’ (পিবিজিএসআই) স্কিমের অধীনে এ আয়োজন করা হবে।

সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব দীপায়ন দাস শুভর সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জানা গেছে,  শিক্ষার্থীদের মুখস্থনির্ভরতা থেকে বের করে বাস্তবমুখী ও উৎপাদনমুখী শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যেই এ আয়োজন। ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত যেকোনো শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পাঁচজন শিক্ষার্থী এবং তাদের দিকনির্দেশনার জন্য দুজন শিক্ষককে নিয়ে একটি দল গঠন করা হবে। তবে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে একাধিক দলও অংশগ্রহণ করতে পারবে।

এই শোকেসিং বা মেলা তিনটি প্রধান বিভাগে অনুষ্ঠিত হবে। বিভাগগুলো হলো-স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প এবং ইনোভেশন আইডিয়া।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ১১ জুনের মধ্যে দেশের সব উপজেলা এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনা মহানগরের আওতাধীন শিক্ষা থানাগুলোতে এ মেলা আয়োজন করতে হবে। উপজেলা বা থানা পর্যায়ের নির্ধারিত কমিটি প্রদর্শিত প্রকল্পগুলোর মধ্য থেকে শ্রেষ্ঠ একটি প্রকল্পকে বিজয়ী হিসেবে নির্বাচন করবে।

২৪ জুন জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। জেলা কমিটির মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রতিটি জেলা থেকে নির্বাচিত বিজয়ী দল-যার মধ্যে পাঁচজন শিক্ষার্থী ও দুজন শিক্ষক থাকবেন-সরাসরি জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত হবে।

জেলা পর্যায় থেকে নির্বাচিত বিজয়ী দলগুলোর তালিকা ও হার্ডকপি ২৬ জুনের মধ্যে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) স্বাক্ষরসহ স্ক্যান করে নির্ধারিত ই-মেইল ঠিকানা (pbgseaward2026@gmail.com)-এ পাঠাতে হবে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে আরও জানা গেছে, দেশের ৬৪টি জেলা ও ৪টি মহানগরী থেকে মোট ৭৫টি দল জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেবে। এসব দলের সদস্যসংখ্যা হবে মোট ৫২৫ জন। জাতীয় পর্যায়ের মূল আয়োজন আগামী জুন মাসের শেষ সপ্তাহে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে নির্বাচিত বিজয়ী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হবে। জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্য থেকে সেরা ১০টি দলকে চূড়ান্ত বিজয়ী হিসেবে নির্বাচন করা হবে এবং তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সরাসরি পুরস্কার গ্রহণ করবে।

জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণকারী সব শিক্ষার্থীর জন্য থাকছে আর্থিক প্রণোদনা। প্রতিটি শিক্ষার্থী ‘উদ্ভাবনী মেধাবী শিক্ষার্থী পুরস্কার’ হিসেবে পাঁচ হাজার টাকা করে পাবে। এই অর্থ সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাব নম্বরে পাঠানো হবে। পাশাপাশি প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একটি করে সনদ দেয়া হবে।

অন্যদিকে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি শিক্ষক ‘সুশিক্ষায় মেধাবী শিক্ষক পুরস্কার’ হিসেবে ২৫ হাজার টাকা করে পাবেন। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে তাদের একটি করে সনদ প্রদান করা হবে।

বি/ এ

স্থান :

/

/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো দেখুন