স্থান :

/

/

বাড়ি » চৌগাছায় শিবিরের দুই নেতাকে গুলি করা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ১৬ জুন

চৌগাছায় শিবিরের দুই নেতাকে গুলি করা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ১৬ জুন

June 1, 2026

ডেস্ক নিউজ:

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে গ্রেপ্তারের পর ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নাটক সাজিয়ে গুলি এবং অমানুষিক নির্যাতনের মাধ্যমে পঙ্গু করে দেওয়ার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) আনিসুর রহমানসহ আট আসামির বিরুদ্ধে সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ১৬ জুন নতুন দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার (১ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ নতুন এ তারিখ নির্ধারণ করেন। এদিন মামলার সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) উপস্থাপন ও সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তা পিছিয়ে নতুন দিন নির্ধারণ করা হয়।

এ মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামি হলেন— চৌগাছা থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) আকিকুল ইসলাম, কনস্টেবল সাজ্জাদুর রহমান এবং কনস্টেবল জহরুল হক। তাদের সোমবার সকালে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

অন্যদিকে পলাতক আসামিরা হলেন— তৎকালীন পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান, চৌগাছা থানার তৎকালীন ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল এবং এসআই মাজেদুল।

এর আগে, গত ২০ এপ্রিল আট আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। অভিযোগ গঠনের সময় গ্রেপ্তার আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন। পরে সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়েছিল।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট চৌগাছা উপজেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন ও সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিনকে একটি মিথ্যা মামলায় আটক করে পুলিশ। তাদের আদালতে হাজির না করে টানা দুই রাত নির্যাতন করা হয়। পরে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নাটক সাজিয়ে পুলিশের অধীনস্থ সদস্যদের মাধ্যমে তাদের পায়ে গুলি করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর শিবিরের ওই দুই নেতার ক্ষতস্থানে বালু ঢুকিয়ে গামছা দিয়ে বেঁধে মিথ্যা মামলায় চালান দেওয়া হয়। পরবর্তীতে অস্ত্র মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়। এছাড়া, ক্ষতস্থানে বালু ঢোকার কারণে পচন ধরে তাদের পা কেটে ফেলতে হয়।

বি/ এ

টপিক :

স্থান :

/

/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো দেখুন