স্থান :

/

/

বাড়ি » বয়স ৫০ পেরিয়েছে? সতর্ক না হলে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হতে পারে, চোখ ভাল রাখতে কোন অভ্যাস জরুরি

বয়স ৫০ পেরিয়েছে? সতর্ক না হলে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হতে পারে, চোখ ভাল রাখতে কোন অভ্যাস জরুরি

April 10, 2026

বিডি ডেস্ক নিউজ:

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়। কিন্তু দেখার ক্ষমতা ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে আসা ভয়াবহ ব্যাপার। বয়স ৫০ ছাড়ালে এমন সমস্যা স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। শুধু ছানি নয়, চোখের নিঃশব্দ ঘাতক হতে পারে গ্লকোমাও। ৫০-এর পরে দেখা যায় এজ রিলেটেড ম্যাকিউলার ডিজেনারেশন বা এএমডি। এই অসুখেও দেখতে সমস্যা হয়।

সময়ে সতর্ক না হলে গ্লকোমা হানা দিতে পারে তারও আগে। কারণ, এই রোগে ক্ষতি হয় অপটিক নার্ভের। গ্লকোমা এমন একটি অবস্থা, যা চোখের ভিতরে চাপ বা ইন্ট্রাঅক্যুলার প্রেশার জমা হওয়ার কারণে অপটিক স্নায়ুর ক্ষতি করে। এই স্নায়ুই মস্তিষ্কে ছবি পাঠায়। ফলে এই স্নায়ুর কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে দৃষ্টিশক্তি কমতে থাকে। সমস্যা হল, গ্লকোমায় হারানো দৃষ্টি চিকিৎসা করেও ফেরানো যায় না। তাই জরুরি দ্রুত রোগ নির্ণয়।

চক্ষুরোগ চিকিৎসক সুনন্দ হালদার এক সাক্ষাৎকারে জানাচ্ছেন, গ্লকোমার মতো অসুখের নেপথ্যে জিনগত কারণ থাকলেও, জীবনযাপনের প্রভাবও পড়ে। কোনও ব্যক্তি কী খাচ্ছেন, কত ক্ষণ ঘুমোচ্ছেন— এমন অনেক সাধারণ বিষয়ই চোখের সঙ্গে সম্পর্কিত।

চোখের পরীক্ষা জরুরি: প্রাথমিক স্তরে গ্লকোমা বা এএমডি হয় উপসর্গহীন। প্রাথমিক ভাবে রোগী কিছুই বুঝতে পারেন না। যখন বোঝেন, দেখতে সমস্যা হচ্ছে, তখন হয়তো অনেকটাই দেরি হয়ে যায়। করার কিছুই থাকে না। নিয়ম করে চোখ পরীক্ষা করালে এই ঝুঁকি কমতে পারে। যত দ্রুত রোগ নির্ণয় হবে, ততই ক্ষতি আটকানো সহজ হবে।

দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখে এমন খাবার: ভিটামিন এ, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট চোখের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। তালিকায় রাখা দরকার ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে, যা চোখের ক্ষতি রুখতে পারে। তালিকায় রাখা দরকার মাছ, মাংস, ডিম, ফল, টাটকা সব্জি, বাদাম। পাশাপাশি, ধূমপান এএমডির ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগনি রশ্মি: সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি ম্যাকিউলার ডিজেনারেশনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই ইউভি রশ্মি রুখতে ভাল রোদচশমা পরা জরুরি। শরীরচর্চা: ডায়াবিটিস, উচ্চ রক্তচাপ নিঃশব্দে চোখেরও ক্ষতি করে। নিয়ম করে শরীরচর্চা করলে যেমন মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়, তেমনই চোখের জন্য ক্ষতিকর অসুখগুলি বশে রাখতে সাহায্য করে। চোখের ব্যায়াম: দিনরাত মোবাইল বা ল্যাপটপের কিংবা কম্পিউটারের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা ক্ষতিকর। স্ক্রিন টাইম কমানো দরকার। পাশাপাশি, চোখের জন্যও ব্যায়াম রয়েছে। সাধারণ কিছু ব্যায়াম চোখ ভাল রাখতে সাহায্য রাখে। চোখের ক্লান্তি কমায়। ঘুম: শরীর ভাল রাখার জন্য তো বটেই, চোখের স্বাস্থ্য বজায় রাখতেও পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। ঘুমের সময় চোখের বিশ্রাম হয়। ঘুম ঠিক হলে শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে।

টপিক :

স্থান :

/

/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো দেখুন